ফাউন্ডেশন

আলোকচিত্র আব্বুর সাথে ভালো ছবি তেমন একটা নেই, অনেক খুঁজে টুজে, এটা পাওয়া গেলো। মেলা দিন আগের কোনো এক ঈদের সকালে। আমাদের দ্যাশের বাড়িতে।

দেকার্তে আর স্পিনোজার ভেতর কে সঠিক ছিলেন?
নজরুল কেনো জীবনানন্দ দাশকে পাত্তা দিলেন না?
আমরা নক্ষত্রধূলা হলে মানব সভ্যতার মানে কী?

এইসব প্রশ্ন তাকে কোনোদিন পীড়িত করে নি।

তার জীবন কেটে গেছে ন’টা থেকে পাঁচটায়
অফিস থেকে বাসায় আর বাসা থেকে অফিসে
জুমাবারে সকাল-সকাল বাজারে
মাসে একদিন আত্মীয়বাড়িতে
দুই ঈদে গ্রামে
প্রতি পাঁচ বছরে একবার সিলেট বা কক্সবাজারে
এভাবে।

জীবিকার প্রশ্ন তাকে কোনোদিন রেহাই দেয় নি।

তার অবসর মানে শান্তিমতো একটু ঘুমাতে পারা
তার বিনোদন পত্রিকাপাঠ
আর কিছু নয়।

পৃথিবীর মধ্যবিত্ত বাবারা সাধারণত খুব সাধারণ হয়।

বহুতল ভবনকে ধরে রাখা পোক্ত ফাউন্ডেশনের মতো
তারা ভিত্তি গড়ে
সন্তানের।

১৮ জুন ‘১৭

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *