//সন্তুষ্টি / অটো রেনে কাস্তিও (১৯৩৪-৬৭)

সন্তুষ্টি / অটো রেনে কাস্তিও (১৯৩৪-৬৭)

PHOTO ALCHETRON

কবি অটো রেনে কাস্তিও ১৯৩৪এ গুয়াতেমালার কোয়েটজালটেনানগোতে এক মধ্যবিত্ত পিতামাতার ঘরে জন্ম নেন। উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালেই তিনি প্রগতিশীল রাজনীতিতে যুক্ত হন, ১৯৫৪তে গুয়াতেমালার রাষ্ট্রপতি জ্যাকব আরবেনজ একটি সিআইএ-অর্কেস্ট্রাড ক্যুদেতায় উৎখাত হলে, তিনি এল সালভাদরে নির্বাসিত হন। সেখানে রোকে ডাল্টনের সাথে তাঁর পরিচয় ঘটে। বেশ কয়েক বছর তিনি নির্বাসিত জীবন কাটিয়েছেন, এর মধ্যে কিছুদিন ছিলেন সাবেক জার্মান ডেমোক্রেটিক রিপাবলিকস্থ লিপজিগ বিশ্ববিদ্যালয়ে। ষাটের দশকে তাঁর দুটি কবিতার বই বেরোয়। ১৯৬৬তে তিনি গুয়াতেমালায় ফিরে আসেন এবং গেরিলা যোদ্ধা হিসেবে যোগ দেন রেবেল আর্মড ফোর্সেস’এ, দায়িত্ব পালন করেন প্রচারণা ও শিক্ষাবিষয়ক প্রধানের। ১৯৬৭র মার্চে সিয়েরা দে লাস মিনাসে কয়েক মাস ধরে অপারেশন চালানোর পর কাস্তিও সরকারি বাহিনীর হাতে ধরা পড়েন, তারা তাকে জাকাপা ব্যারাকে নিয়ে যায়, এবং জিজ্ঞাসাবাদ ও অত্যাচার করার পর আগুনে পুড়িয়ে মারে।
সবচে সুন্দর ব্যাপারটা,</span
তাঁদের জন্য যারা একটা আস্ত জীবন লড়েছে,

হচ্ছে শেষ পর্যন্ত আসা আর এসে বলাঃ
আমরা জনগণে বিশ্বাস করেছি, বিশ্বাস করেছি জীবনে
আর জীবন ও জনগণ
কখনোই আমাদেরকে হেরে যেতে দেয় নি।

এইভাবে, শুধু এইভাবে, পুরুষেরা পুরুষ হয়ে ওঠে,
নারীরা হয়ে ওঠে নারী,
দিন রাত লড়তে লড়তে
জনগণের জন্য আর জীবনের জন্য।

আর যখন এই জীবনগুলো শেষ হয়ে যায়
মানুষেরা খুলে দেয় তাদের গভীর সব নদী
আর তারা চিরদিনের জন্য অন্তর্জলী যাত্রায় যায়।
আর তাই তারা হয়ে ওঠে, দূরবর্তী আগুন, বাস করতে করতে
তৈরি করতে করতে দৃষ্টান্তের হৃদয়

সবচে সুন্দর ব্যাপারটা,
তাঁদের জন্য যারা একটা আস্ত জীবন লড়েছে,
হচ্ছে শেষ পর্যন্ত আসা আর এসে বলাঃ
আমরা জনগণে বিশ্বাস করেছি, বিশ্বাস করেছি জীবনে
আর জীবন ও জনগণ
কখনোই আমাদেরকে হেরে যেতে দেয় নি।

Please follow and like us: